ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

ধারবাহিকভাবে কমানো হচ্ছে কৃষি খাতে ভর্তুকি

  • আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৪ ১১:১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৪ ০১:২৮:৩৫ অপরাহ্ন
ধারবাহিকভাবে কমানো হচ্ছে কৃষি খাতে ভর্তুকি
২০২২-২৩ অর্থবছরে কৃষিতে ভর্তুকি ছিল ২৫ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা
২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেমে আসে ২৪ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা
২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জন্য কৃষি খাতে ভর্তুকি ১৭ হাজার ২৬১ কোটি টাকার প্রস্তাব


বাংলাদেশের কৃষকরা জনপ্রতি হিসাবে খুবই নগণ্য ভর্তুকি পায়। তার মধ্যে গত তিন বছর ধরেই ধারাবাহিকভাবে কমানো হয়েছে ভর্তুকির পরিমাণ। যদিও কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে কয়েক দশক ধরেই ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। গত তিন ২০২২-২৩ অর্থবছরে কৃষিতে ভর্তুকি ছিল ২৫ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা, যা গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেমে আসে ২৪ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। যদিও চলতি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি বাবদ ১৭ হাজার ২৬১ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় সাত হাজার ৭১ কোটি টাকা কম। ফলে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বাজেট কমানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে নানা কারণে কৃষি উপকরণ খরচ বাড়ছে। ভর্তুকি না দিলে কৃষকের উপকরণ খরচ আরো বেড়ে যাবে। ফলে কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে  মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা থাকে। বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কৃষি উৎপাদন কমার শঙ্কায় থাকতে। এ অবস্থায় দেশের স্বার্থেই শস্য আমদানিনির্ভরতায় না গিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো জরুরি। সেজন্য কৃষকের ভর্তুকি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। যদিও দেশের খাদ্যশস্যের চাহিদা ও উৎপাদনের তথ্যে নানা ধরনের অসংগতি রয়েছে। খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে উপকরণসংকট, মাঠ পর্যায়ে অদক্ষতা, প্রযুক্তির অভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা পরিপূর্ণ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চাল বাদে ১১টি খাদ্য ও কৃষি পণ্যের আমদানি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ ১২ হাজার টন। সূত্র জানায়, বড় ধরনের আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অন্যতম শর্তই হচ্ছে দেশের ভর্তুকি কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে। সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ও সারে ভর্তুকি কমানোর শর্ত রাখা হয়। এছাড়া নানা সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে ঋণদাতা সংস্থাগুলো থেকে ভর্তুকি কমানোর পরামর্শ ও চাপ দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় কৃষিতে ভর্তুকি কমানো হলে সার্বিক উৎপাদনব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ বিষয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম জানান, দেশের কৃষকদের প্রয়োজন অনুসারে ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার কৃষি উপকরণের বাড়তি দামকে যদি বিবেচনায় নেয়া হয় তাহলে প্রকৃতপক্ষে ভর্তুকি আরো কমে যাবে। সার্বিকভাবে দেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হলে কৃষি জিডিপির মোট ১০ শতাংশ ভর্তুকি দিতে হবে। যেটি এখন ৩ শতাংশের নিচে রয়েছে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স